ব্যস্ততা, বাস্তবতার কারণে কমে গেছে আমাদের সত্যচর্চা। কিং্বা নৈতিকতার চর্চাটাও হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের কাছ থেকে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মিথ্যা কতটুকু বলা হয়, তাই জানুন এই কুইজে।
১. মুঠোফোনে একজন নাছোড়বান্দা ক্রেডিট কার্ড এজেন্ট টাকা চেয়ে আপনাকে বারবার ফোন করছে। তাকে এড়াতে আপনি...
ক. অসুস্থ আছেন, এখন কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। এমন ভান করে ফোন রেখে দেন।
খ. এখন একটা ভীষণ জরুরি কাজে ব্যস্ত আছেন। এই বলে পরে ফোন করতে অনুরোধ করেন।
গ. কী বলবেন বুঝতে না পেয়ে ফোন রেখে দেন।
২. বাচ্চার পরীক্ষার রেজাল্ট তেমন ভালো না, তবুও প্রতিবেশী/বন্ধু জানতে চাইলে বলেন...
ক. সত্য কথাটা বলেন, সে তেমন ভালো রেজাল্ট করেনি।
খ. বানিয়ে বলেন, খুব ভালো করেছে-
গ. বলেন ভালোই করেছে।
৩. শ্বশুরবাড়িতে ননদের স্বামী বেড়াতে আসছে, বাড়ির বউকে থাকা দরকার। অথচ সেদিনই আপনার বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক। এড়াতে গিয়ে...
ক. স্বামীকে বলেন, আপনার মায়ের বাড়ির একজন আত্মীয় অসুস্থ। তাকে দেখতে যেতে হবে।
খ. স্বামীকে রাজি করিয়ে বলেন, তার মাকে বোঝাতে।
গ. স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকদের সরাসরি বলে দেন, সেদিন আপনার অন্য কাজ আছে।
৪. শপিংমলে যাবেন। স্বামী শপিংমলের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন প্রায় ঘণ্টাখানেক। অথচ বেড়াতে গিয়ে আপনার দেরি হয়ে গেছে। অজুহাত হিসেবে...
ক. স্বীকার করবেন নিজের দোষ।
খ. নিজের দোষ ঢাকতে গিয়ে এটা-ওটা বলতে থাকবেন।
গ. রাস্তায় অনেক ট্রাফিক জ্যাম, এটি বলবেন।
৫. বিয়েতে দেবর-ভাসুরের উপহার আপনার তেমন ভালো লাগেনি। উপহার কেমন হয়েছে ভাসুর জানতে চাইলে বলবেন...
ক. ভালো হয়েছে।
খ. আসলে তেমন একটা ভালো লাগেনি।
গ. মোটামুটি হয়েছে।
৬. একটি দাওয়াতে যেতে চান না, অথচ যিনি দাওয়াত দিয়েছেন তিনি ফোনে জানতে চাচ্ছেন, আপনি কখন যাবেন। তখন...
ক. বলবেন, হঠাত্ই শরীর খারাপ হয়ে গেছে, তাই যেতে পারবেন না।
খ. যেতে পারবেন না এটি বলেন।
গ. বলেন, আরে ঠিক সময়মতোই চলে যাব, আপনার চিন্তার কিছু নেই।
প্রশ্নের সঙ্গে উত্তর তো মিলিয়ে নিলেন। এবার আপনার উত্তরের সঙ্গে মিলিয়ে নিন কত নম্বর পেয়েছেন আপনি?
ক খ গ
১ ১৫ ১০ ৫
২ ৫ ১৫ ১০
৩ ১০ ১৫ ৫
৪ ৫ ১০ ১৫
৫ ১৫ ৫ ১০
৬ ১০ ৫ ১৫
৩০-৩৫ : মিথ্যা বলা আপনার স্বভাবে নেই। দরকার বা আর কাকে, ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় আপনি এ রকমই মিথ্যা বলতে পারেন না।
৫১-৭০ : স্বভাবে মিথ্যাবাদী না হলেও দরকার পড়লে একটু-আধটু মিথ্যা আপনি বলতে পারেন।
৭১-৯০ : মিথ্যা বলায় আপনি খুবই পটু। দরকারে কিংবা অদরকারে হোক, সব সময়ই মিথ্যা কথা আপনি বেশ গুছিয়ে বলতে পারেন।